Culture

এই আলোর রোশনাইতে মনে এক রাশ আশা নিয়ে কলকাতা পারি “লতা “-এর

যেকোনো উৎসবে স্বপরিবারে আনন্দ করার ক্ষেত্রে "কারোর পৌষমাস হলে কারোর সর্বনাশ অবধারিত হয়েই থাকে।"

তিয়াসা মিত্র : তাদের কথা কেউ ভাবেনি তাদের কথা আজ কেউ ভাবেনা। এই আলোর উৎসবে কি ভাবে তারা আনবে নিজেদের সেই ছোট্ট বাড়িতে আলোর একটু আভাস ? দূর্গা পুজো হোক বা কালীপুজো উৎসবের দিন গুলো নিজের পরিবার স্বজন ছেড়ে যারা ছুটে আসে মোমবাতি এবং প্রদীপ বিক্রি করে একটু টাকার সন্ধানে ,সেই ধরণের এক জায়গা খুঁজে পাওয়া গেল কলকাতার অন্তর্গত বেহালা অঞ্চলে যেখানে এক মহিলা এক পার্টি অফিস এর সামনে বসে বিক্রি করছে মোমবাতি এবং প্রদীপ।

বিবাহিত এই মহিলার নাম জানা যায় লতা দেবী এবং তিনি সুন্দরবনের বাসিন্দা। জানা যায় কোরোনার সময়ে থেকে তার স্বামীর কর্মস্থান বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর তিনি এই টুকটাক কাজ গুল করে থাকেন, আবার তারপর একের পর এক দুর্যোগ বয়ে গেছে উপকূল অঞ্চল থেকে, সেখানে জানা যাচ্ছে ওনার বাড়ি ভেঙে পড়েছে এবং উনি সেখানেই কোনো ভাবে মেরামত করে থাকেন তার স্বামী এবং সন্তানদের নিয়ে।

যে আশাতে তিনি বাড়ি ছেড়ে পরে আছেন এই কোলকাতাতে সেই ক্ষেত্রে কিছুটা সাহায্য পাচ্ছেন ( নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ) এক পার্টি অফিস থেকে যেখানে ওনাকে থাকার এবং বিক্রি করাতে সাহায্য করছেন তারা। যেকোনো উৎসবে স্বপরিবারে আনন্দ করার ক্ষেত্রে “কারোর পৌষমাস হলে কারোর সর্বনাশ অবধারিত হয়েই থাকে।”

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: