Industry & Tread

ভারত এবং বাংলাদেশ উভয়ের মধ্যেই উন্নতি সম্পর্কের, ভারত-বাংলাদেশ ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির পরীক্ষামূলক চালান

বাংলাদেশের আখাউড়া থেকে পণ্য বোঝাই ট্রাকগুলি ঢুকল ত্রিপুরায়।

পল্লবী কুন্ডু : করোনা আবহেই ধীরে ধীরে যখন স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার যাত্রা শুরু তখনি দুই বাংলার মধ্যে সম্পর্কের আরো উন্নতি। সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশের আখাউড়া থেকে পণ্য বোঝাই ট্রাকগুলি ঢুকল ত্রিপুরায়। সেই সঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির পরীক্ষামূলক চালানও হল। পশ্চিমবঙ্গের শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি বন্দর যেটি আগে কলকাতা বন্দর ছিল সেখান থেকে এম ভি সেঁজুতি জাহাজে রড ও ডাল মঙ্গলবার পৌঁছায় চট্টগ্রাম বন্দরে। উত্তর পূর্ব ভারতের সবথেকে কাছের সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম। সেখান থেকেই স্থলপথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে সীমান্তের এপারে ত্রিপুরায় ঢুকেছে সেই পণ্য।

দুই দেশের নৌ-প্রটোকল ট্রান্সশিপমেন্ট চুক্তির আওতায় প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করল ভারত। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়েই ট্রানজিট পণ্যের প্রথম চালান গেল ভারতের ত্রিপুরায়। প্রথম পর্বেই ত্রিপুরার জন্য টিএমটি বার ৫৩.২৫ টন এবং অসমের করিমগঞ্জের জন্য ৪৯.৮৩ টন ডাল এসেছে। আগরতলা স্থলবন্দরে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব পণ্যের চালান আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন।

বৃহস্পতিবার আগরতলা স্থলবন্দর কাস্টমস সুপারিন্টেনডেন্ট জয়দীপ মুখার্জি জানান,এই পণ্য পরিবহণের মধ্য দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে এক নবদিগন্তের সূচনা হলো। এই পরিবহন বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত, এভাবে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করে একদিকে যেমন উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে পণ্য পরিবহণ দ্রুত হবে, তেমনি দুই দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর্থিক দিক দিয়ে দুই দেশই লাভবান হবে। দুই দেশের জন্যই লাভবান এই চুক্তির ফলে পণ্য পরিবহনে খরচ কম, কারণ স্থলপথে কলকাতা থেকে উত্তর পূর্বের কমবেশি সব রাজ্যের দূরত্ব গড়ে দেড় হাজার কিলোমিটার। আর এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে দূরত্ব গড়ে ৫০০ কিলোমিটার পড়ছে।

দুই বাংলার মধ্যে একটি সুসম্পর্ক স্থাপন হলো এই পুরো কর্মপ্রয়াসের মধ্যে দিয়ে, যা দুই দেশের অর্থনীতিতেও এক সু-প্রভাব ফেলবে।

Tags
Show More

Related Articles

Back to top button
Close
Close
%d bloggers like this: