Big Story

ভয়ে, উত্তেজনা, মানিয়ে না নেওয়ার অনিশ্চয়তা সব কিছু নিয়েই আবারো স্কুলে পারি শিক্ষার্থীদের

" সব কিছু আগের মতন আছে তো ? " বিদ্যালয়ে সংক্রান্ত আশঙ্কাতে স্কুল পড়ুয়ারা

তিয়াসা মিত্র: গত দুবছর আগে পড়ুয়াদের বেড়ে গিয়েছে বয়স, বেড়ে গিয়েছে ক্লাস। তাদের মনে কিছু আশংকা যা সত্যি ভাবিয়ে তোলার মতন। কেউ মনে করছে আগের মতনই আছে তো স্কুলের চিত্র ? আমার প্রিয় বন্ধু যার সাথে গত দুবছরে দেখা পর্যন্ত হয়নি সে আমাকে দেখে কথা বলবে তো ? শিক্ষক শিক্ষিকারা আগের মতোই আচরণ করবে তো ? এই নানা প্রশ্নের মদ্ধ দিয়েই আবারো খুললো স্কুল তবে এবার অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত। এর আগে স্কুল খোলাতে শুধু অনুমতি ছিল নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত তবে এবার যোগ দিয়েছে অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়ারাও।

শুধু পড়ুয়াদের কোথায় কেন বলা ? একই রকম আশঙ্কাতে সন্তানদের স্কুলে পাঠাচ্ছে অভিভাবকেরা। যাদের টিকাকরণ হয়নি তারাও যাবে স্কুল এবং এই বিষয়টি কপালে ভাজ ফেলেছে বাবা মা-দের। যোধপুর পার্ক বয়েজ় স্কুলের প্রধান শিক্ষক অমিত সেন মজুমদার বললেন, “মানিয়ে নিতে যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য অভিভাবকদের বলেছি, সপ্তাহে এক দিন স্কুলে এসে পড়ুয়াদের সঙ্গে সময় কাটাতে। নাচ, গান আবৃত্তি, গল্প পাঠের আয়োজন করতে।” বেথুন কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শাশ্বতী অধিকারী বলেন, “আমাদের কয়েক জন শিক্ষক-শিক্ষিকা অষ্টম ও নবম শ্রেণির পড়ুয়াদের সঙ্গে আলাদা করে বসবেন।”

মনোরোগ চিকিৎসক অনিরুদ্ধ দেব যদিও মনে করেন, মানিয়ে নিতে বেশি দিন সময় লাগবে না। তাঁর কথায়, “অভিভাবকদের চিন্তার কিছু নেই। স্কুলে গিয়ে ক্লাস করাটাই তো স্বাভাবিক ঘটনা। অনলাইন ক্লাস কিন্তু স্বাভাবিক নয়। ওদের স্বাভাবিক হতে বেশি সময় লাগবে না।” তবে অনিরুদ্ধবাবু জানান, এই সময়ে মা-বাবাদের বেশি করে পাশে থাকতে হবে। তিনি বলেন, “পড়ুয়াদের মোবাইলে আসক্তি ধীরে ধীরে কাটাতে হবে। তবে মোবাইল, ল্যাপটপও এখন পড়াশোনার উপকরণ। তাই সব কিছু পুরোপুরি বন্ধ করলেও চলবে না।” শিশুরোগ চিকিৎসক অপূর্ব ঘোষও মনে করেন, “ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বিধিনিষেধ মেনে স্কুলে যেতে হবে।”

Show More

OpinionTimes

Bangla news online portal.

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: