West Bengal

কেশপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে বলি একাধিক প্রাণ

অভিযোগ, তৃণমূলের এক পক্ষ কেশপুরের দামোদরচকের গ্রাম ঘিরে ফেলে সেখানে আচমকাই ক্রমাগত বোমা ফেলতে থাকে এবং তারপরেই এক কিশোর-সহ দুই তৃণমূলকর্মীর মৃত্যু হয়।

পল্লবী কুন্ডু : ফের গোষ্ঠী সংঘাত। আর এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই বলি একাধিক প্রাণ।ঝামেলার আসল সূত্রপাত হয় বৃহস্পতিদের বিকেল থেকে।অভিযোগ, তৃণমূলের এক পক্ষ কেশপুরের দামোদরচকের গ্রাম ঘিরে ফেলে সেখানে আচমকাই ক্রমাগত বোমা ফেলতে থাকে এবং তারপরেই এক কিশোর-সহ দুই তৃণমূলকর্মীর মৃত্যু হয়। পাশাপাশি গুরুতর আহত অবস্থায় এক মহিলা-সহ তিনজন হাসপাতালে ভর্তি। গোষ্ঠীকোন্দলের জেরে শুক্রবারেও এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে ফের উত্তপ্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর।নিহত তৃণমূলকর্মী মহম্মদ নাসিমের পরিবার জানায়, কেশপুরের তৃণমূলনেতা উত্তম ত্রিপাঠীর লোক বৃস্পতিবার বিকেলে তাঁদের গ্রামের এক তৃণমূলকর্মীকে মারধর করে।আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উৎপত্তি হয় বচসার। এর পর চার দিক থেকে ঘিরে ফেলে বোমাবাজি চলে।

নাসিমের পরিবারের দাবি, কেশপুর তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতির সঙ্গে উত্তমের গোষ্ঠীকোন্দল ছিল। তা আগেও দলের শীর্ষনেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। কিন্তু সুরাহা হয়নি। জেলা তৃণমূল সভাপতি অজিত মাইতির অবশ্য দাবি, তৃণমূলের গোষ্ঠীসংঘর্ষ নয়। এটা নিছকই পারিবারিক বিবাদ। যদিও তিনি পুলিশকে নিরপেক্ষ তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন।কেশপুর থানার পুলিশ ছ’জনকে আটক করেছে। খোঁজ চলছে বাকিদের।স্থানীয় সূত্রে খবর, ওই এলাকায় তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ঝামেলা চলছিল।

বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে গোলমালের পর রাতে দু’পক্ষ-এর মধ্যে এক বড়ো ঝামেলার সৃষ্টি হয়। তারপরেই শুরু হয় বোমাবাজি। গুরুতর আহত হন ১৪ বছরের এক ছাত্র। আশঙ্কাজনক অবস্থায় কেশপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিত্‍সকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গুরপতর আহত হন মহম্মদ নাসির নামে এক তৃণমূলকর্মীও। তাঁকে ভর্তি করানো হয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। এক মহিলা-সহ তিন জন ভর্তি রয়েছেন সেখানেই।এই ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এলাকা জুড়ে।স্থানীয়দের সুরক্ষায় মোতায়েন রয়েছে পুলিশ।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: