Nation

দেশ জুড়ে জলসঙ্কট তার মোকাবিলা করবার জন্য আহব্বান : প্রধান মন্ত্রীর # “মন কি বাতে”

"মন কি বাতে" : নরেন্দ্র মোদী , প্রধানমন্ত্রী ভারত সরকার (ভিডিও সৌজন্যে : নরেন্দ্র মোদী )

দেশ জুড়ে জলসঙ্কট তার মোকাবিলা করবার জন্য আহব্বান প্রধান মন্ত্রীর আবেদন , তার মধ্যেই দেশের ২১টি শহরে ভূগর্ভস্থ জল প্রায় শেষ হয়ে যাবে। তীব্র জলসঙ্কটে পড়বেন অন্তত ১০ কোটি ভারতীয়। নীতি আয়োগের রিপোর্ট তেমনটাই বলছে। ওই রিপোর্ট যে কতটা সত্যি তার প্রমাণও ইতিমধ্যে পেতে শুরু করেছি আমরা। দেশ জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় তীব্র জলসঙ্কট দেখা দিয়েছে। দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, হায়দরাবাদ-সহ দেশের ২১টি শহর যখন জলের জন্য হাহাকার করছে, সে সময়ই আগামী ৬ মাসের জন্য জলের জোগান করে ফেলেছেন চেন্নাইয়ের বাসিন্দা এই ব্যক্তি।

বিশিষ্ট সমাজ বিজ্ঞানী মাধব মেনন বৃষ্টির জল ধরে রেখে। ২০০৯ সালে ১ হাজার বর্গফুটের বাড়ি বানান তিনি। তার কয়েক বছর পর বাড়ির ছাদটাকেই জলাধার বানিয়ে ফেলেন। ছাদে বৃষ্টির জল সংগ্রহ করে সেই জল প্রথমে পাইপের মাধ্যমে ৭ হাজার ৫০০ লিটার আয়তনের ট্যাঙ্কে সংগ্রহ করেন। এই ট্যাঙ্কটা অবশ্য দু’ভাগে ভাগ করে নিয়েছেন তিনি। যার ৪ হাজার ৫০০ লিটার বৃষ্টির জল ধরে এবং বাকি ৩ হাজার লিটারে কর্পোরেশনের জল। বৃষ্টির জলের সঙ্গে যাতে আবর্জনা না মেশে তাই পাইপের মুখে মোটা সুতির কাপড় লাগিয়ে রেখেছেন।

আগামী এক বছরের মধ্যেই তীব্র পানীয় জলের সংকটে পড়তে চলেছেন ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ। বলা হচ্ছে, ভারতের ইতিহাসে নাকি এত বড় জলকষ্ট এর আগে কখনও দেখা যায়নি।

সম্প্রতি নীতি আয়োগের একটি রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের মধ্যে দিল্লি, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, হায়দরাবাদ-সহ ভারতের ২১টি রাজ্যের ভূগর্ভস্থ পানীয় জলের পরিমাণ একেবারে তলানিতে এসে ঠেকবে। যার ফলস্বরূপ ভারতের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ তীব্র জলকষ্টের মধ্যে পড়বেন। সূত্রের খবর, প্রতি বছর প্রায় ২০০,০০০ মানুষ মারা যাচ্ছেন কেবলমাত্র পর্যাপ্ত পানীয় জলের অভাবে এবং দূষিত ও অবিশুদ্ধ পানীয় জল পান করে।

কর্পোরেট ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট ইনডেক্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এইভাবে পানীয় জলের সংকট দেখা দিলে আগামী ২০১৩০-এর মধ্যে ভারতীয়দের কাছে এক বিন্দু পানীয় জলও আর পাওয়া যাবে না। এইভাবে, ২০৫০ সালের মধ্যে সাধারণ মানুষের পানীয় জলের চাহিদা যেভাবে বাড়বে তাতে সেই মুহূর্তে যে পরিমাণ বিশুদ্ধ জল পাওয়া যাবে, তা দিয়ে গোটা দেশের মানুষের জলের চাহিদা কোনওভাবেই মেটানো সম্ভব হবে না।

চলতি বছরে অন্ধ্র প্রদেশ, ছত্তিশগড় এবং তামিলনাড়ু জেলায় ইতিমধ্যেই জলকষ্ট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর অন্যতম কারণ হিসাবে দায়ি করা হচ্ছে বৃষ্টিপাতকেও। বলা হচ্ছে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে এই সমস্যা আরও প্রকট হয়ে উঠেছে। সমস্যা এড়াতে রাজ্যগুলিকে অবিলম্বেই ভূগর্ভস্থ পানীয় জল সংগ্রহ করার দিকে নজর দিতে হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

#janshktiforjalshakti লিখুন আপনার কথা , প্রচার করুন কি ভাবে করবেন আমপানর প্রকল্পনা।

Show More

OpinionTimes

Bangla news online portal.

Related Articles

Back to top button
%d bloggers like this: