Science & Tech

মহাকাশে দেখা মিলেছে একটি ক্ষুদ্র চাঁদের, এর ব্যাস ১.৯ মিটার থেকে ৩.৫ মিটারের মধ্যে

মহাকাশবিজ্ঞানীরা বলছেন এটি আসলে একটি গ্রহাণু। নাম 2020CD3।

পল্লবী কুন্ডু : আমাদের চাঁদ মামার যে একটা ছোটো ভাই রয়েছে তা তো আগে জানা ছিলোনা ! এতকাল পর এবার তারও দেখা মিললো। পৃথিবীর কক্ষপথে দেখা মিলেছে একটি ছোটো চাঁদের।মহাকাশবিজ্ঞানীরা বলছেন এটি আসলে একটি গ্রহাণু। নাম 2020CD3। আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রোনমিকাল ইউনিয়নের মাইনর প্ল্যানেট সেন্টার থেকে টেলিস্কোপ মারফত প্রথম চোখে পড়ে এই বামন চাঁদটি। সৌরজগতের সমস্ত গ্রহ, গ্রহাণু পর্যবেক্ষণ, গবেষণা, নামকরণের সব দায়িত্ব রয়েছে এই আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রোনমিকাল ইউনিয়নের মাইনর প্ল্যানেট সেন্টারের ওপরই।

জানা যাচ্ছে, এর ব্যাস ১.৯ মিটার থেকে ৩.৫ মিটারের মধ্যে।এই ছোটো গ্রহাণুটির সমন্ধে বিজ্ঞানীরা আপাতত যা বলছেন তাতে পৃথিবী, চাঁদ এবং সূর্যের মাধ্যাকর্ষণের মিলিত শক্তিতে এ রকম ঘটনা ঘটতে পারে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের অনুমান বিগত তিন বছর ধরে পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরছে ২০২০ সিডি৩। ২০২০ সালের অক্টোবর থেকে ২০২১-এর মে মাসের মধ্যে ফের কক্ষপথ পালটে ফেলবে। আগামী বছরের শুরুতে পৃথিবীর আরও কাছে এসে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে গ্রহাণুটির।

ক্যাসপার উইজখোর্স এই আন্তর্জাতিক অ্যাস্ট্রোনমিকাল ইউনিয়নের মাইনর প্ল্যানেট সেন্টারের এক মহাকাশবিজ্ঞানী। তিনি সম্প্রতি এই ২০২০সিডি৩ নিয়ে ট্যুইট করে জানিয়েছেন, ক্যাটালিনা স্কাই সার্ভে দলের সদস্য ক্যাসপার এবং তাঁর অন্যান্য সহকর্মীরা প্রথম ১৫ ফেব্রুয়ারি এই গ্রহাণুটির খোঁজ পান।ক্যাসপার আরো জানিয়েছেন, এ ধরনের গ্রহাণু কয়েক লক্ষ রয়েছে। তবে পৃথিবীর কক্ষপথে ঢুকে পড়ার ঘটনা মহাকাশের ইতিহাসে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ঘটল। এর আগে ২০০৬ আরএইচ১২০ নামের এক গ্রহাণু অল্প কিছু দিনের জন্য ঢুকে পড়েছিল পৃথিবীর কক্ষপথে। পৃথিবীকে প্রদক্ষিণও করেছিল। সেটিও প্রথম চোখে পড়ে ক্যাটালিনা স্কাই সার্ভে-র সদস্যদেরই।তবে আমাদের এই ছোটো চাঁদ মামার আসল রহস্য কি তা জানতেই সন্ধান চালাচ্ছে এই সংস্থা।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: