AnalysisNation

“ক্ষমতাতে যারাই আসুক, অপরাধীদের কঠোরতম শাস্তি চাই” এমনি আর্তি হাথরস নির্যাতিতার পরিবার

কেটে গেছে দেড় বছরের বেশি, কিন্তু এখনো কোনো ন্যায় বিচার নেই তাদের

তিয়াসা মিত্র : হাত্রসের ঘটনা আজ যেন মনে এলে দুঃস্বপ্নের মতন লাগে, যেখানে ১৯ বছরে মেয়েটি ধর্ষণের যন্ত্রনা সহ্য করতে না পেরে নিজের দাঁত দিয়ে চেপে জিভ দু টুকরো করে ফেলেছিলো। সে যেন এক নরকের থেকেও অধম এক ঘটনা যার শিকার হয়েছিল উত্তরপ্রদেশ। আর সেই নির্যাতিতার বাড়ির পরিস্থিতি যদি বলতে হয় তা হলো এক কথায়- যেন একেবারে বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ, যাকে পাহারা দিচ্ছে সৈন্যদল। একেবারে সেইরকমই দূর থেকে দেখতে লাগে, যেখানে চারিদিকে সৈন্যদল প্রহরা চলছে, কেউদেখা করতে এলে জানা হচ্ছে কারণ এবং সব কিছু ঠিক লাগলে তবেই প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে অন্দরে।

মেয়েটির অবস্থা যেন উত্তরপ্রদেশের সব থেকে অন্ধকার দিকটি তুলে ধরেছে ক্ষনে ক্ষনে , মেয়েটির মারা যাওয়ার পর তাকে যে বাড়ির ৫০০ মেটার দূরে পেট্রল দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল পুলিশের পক্ষ থেকে তও যেন একজন সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে মেনে নেওয়া দুস্কর বেপার। ২০২০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ঘটনা ঘটলেও পুলিশ ২০ তারিখের আগে অভিযোগ নেয়নি। ২২ তারিখে পুলিশ তাঁর জবানবন্দি নিয়েছিল। তিনটি আলাদা জবানবন্দিতে নির্যাতিতা বলেছিলেন, তাঁকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। তাঁকে খুন করারও চেষ্টা হয়েছে। ঘটনা ঘটিয়েছে ঠাকুর সম্প্রদায়ের চার জন। সেই জবানবন্দিতেই সন্দীপ ঠাকুর, রামু ঠাকুর, লবকুশ ঠাকুর এবং রবি ঠাকুরের নাম অপরাধী হিসেবে বলে গিয়েছিলেন নির্যাতিতা। যারা এখন জেলে রয়েছে। আর কাঁটাতার-ঘেরা দেশে বসে নির্যাতিতার ২২ বছরের দাদা বলছেন, ‘‘আমরা ন্যায়বিচার চাই। সে যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক! আমরা ওদের ফাঁসি চাই!’’

Show More

OpinionTimes

Bangla news online portal.

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: