Big Story

Big breaking II সাংবাদিক বৈঠকে মমতা- মুকুল-অভিষেক : তৃণমূল ভবন থেকে সরাসরি

পিতা-পুত্রের ঘরে ফেরা অন্য রাজনৈতিক ইঙ্গিত সর্ব ভারতীয় ক্ষেত্রে শেষের ৬মাসের হিসেবে মিললো না বলেই ঘরে ফেরার পালা , এ কোন রাজনীতির ইঙ্গিত !

১) মুকুল রায় ২০১৭ সালের ৩ নভেম্বর। আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজপি-তে যোগ দেন

২) মুকুলের সঙ্গে ২০১৫ সাল থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দূরত্ব তৈরি হয়

৩) গোপনীয় ভাবে বৈঠক করে পরে প্রকাশ্যে বৈঠক কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি এবং বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে বৈঠক করায় মুকুলকে ৬ বছরের জন্য সাসপেন্ড করে তৃণমূল

৪) মুকুল রায় বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার আগে ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর রাজ্যসভার সদস্য পদ ছাড়েন

৫) মুকুল রায় ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ও ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে গেরুয়া শিবিরের হয়ে বড় ভূমিকা নিলেও তাঁকে কোনও পদ দেয়নি বিজেপি

৬) মুকুল রায়ের কলকাতায় বিজেপি রাজ্য দফতরে একটি ছোট ঘর দেওয়া হলেও কোনও ঘোষিত পদ ছাড়াই কাজ করেন

৭) মুকুল রায় কে বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার প্রায় ৩ বছর পরে ২০২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তাঁকে সর্বভারতীয় সহ-সভাপতির পদ দেওয়া হয়

৮) ৩ বছরে একের পর এক ইস্যুতে মুকুলের সঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের সঙ্ঘাত লেগেছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে বারবার হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে

৯) বিজেপি-তে এসেছিলেন লাভপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম। তা নিয়ে গেরুয়া শিবিরে বিক্ষোভের মুখেও পড়তে হয় মুকুল রায়কে

১০) মুকুলের হাত ধরেই গেরুয়া শিবিরে আসেন অভিনেতা যশ দাশগুপ্ত থেকে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়রা

১১) ২০২০ সালের ১৯ ডিসেম্বর শুভেন্দু অধিকারী বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার পর থেকেই কিছুটা পিছনের সারিতে চলে যান মুকুল

১২) রাজ্য নেতারা বিরোধিতা করলেও বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব অবশ্য মুকুলের সঙ্গেই ছিলেন, তবুও তৃণমূলে ফেরা !

১৩) মুকুলের নেতৃত্বেই রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়রা যে দিন চার্টার্ড বিমানে করে দিল্লিতে অমিত শাহর বাড়িতে গিয়েছিলেন বিজেপি-তে যোগ দেওয়ার জন্য

১৪) দিলীপ ঘোষ বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে অবশ্য সে ভাবে মুকুলকে কাজেই লাগায়নি বিজেপি। তাঁকে কৃষ্ণনগর উত্তরে প্রার্থী করে দেওয়া হয়

১৫) মুকুল রায় ভোটের প্রচারে নিজের কেন্দ্রের বাইরে সে ভাবে বার হননি । এমনকি ছেলে শুভ্রাংশুর কেন্দ্র বীজপুরেও তাঁকে সে ভাবে দেখা যায়নি

১৬) নির্বাচনে জয় পেলেও এর পরে মুকুলকে আর রাজ্য রাজনীতির অঙ্গনে দেখা যায়নি। তবে রাজ্য বিজেপি-র কয়েকটি বৈঠকে যোগ দেন।

১৭) ২ জুন কৃষ্ণা রায়কে দেখতে হাসপাতালে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধরণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

১৮) অভিষেক হাসপাতালে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কৃষ্ণা রায়কে দেখতে যান দিলীপ ঘোষ। পর দিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ফোন পান মুকুল।

১৯) ১১ জুন, ২০২১। তৃণমূলে ফিরে গেলেন মুকুল। তবে যাওয়ার আগে একটি বারও বিজেপি-র বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথাই বলেননি তিনি।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: