Big Story

আজ আবার নারদ শুনানি শুরু : বাদ বিবাদ চরমে ” লাইভ “

কথা অনুযায়ী বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন , ৫ বিচারপতি হাতে বেল না আবার জেল ?

নিজস্ব সংবাদদাতা : নেতা মন্ত্রীদের বেল না যেন এই প্রশ্নে সরগরম রাজ্য রাজনীতি , পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চে শুনানি শুরু হল নারদ গ্রেফতারি মামলার। নেতা-মন্ত্রীদের গৃহবন্দি করার রায়ের বিরুদ্ধে জানানো হয়েছিল আর্জি।

মামলাটির শুনানি পিছনোর আবেদন সিবিআইয়ের, এক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন জানালেন সিবিআইয়ের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

তুষার মেহেতার প্রশ্ন ” জেলে নেতা মন্ত্রীরা ঘুরে মেরেছেন , মুখ্যমন্ত্রী সিবিআই দফতরে গিয়ে হুমকি দিয়েছেন। তার ফলে এই নেতা মন্ত্রীদের কে বাড়িতে বন্ধি রেখে কি ভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত চালানো সম্ভব।

তুষার মেহেতার পাল্টা প্রশ্ন ” জেলে যাবার পর নেতা মন্ত্রীরা অসুস্থ বলে হাসপাতালে গেলেন। আর যখন বাড়িতে বন্দি থাকার কথা হল , তখনই তারা সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গেলেন। এটা কি স্বাভাবিক ?

বিচারপতি আই পি মুখার্জী বলেন সাইক্লোন আসছে কেন বিচার পেঁচানো হবে না।

অভিষেক মনুসিংভী নেতা মন্ত্রীদের আইনজীবী বলেন সিবিআইয়ের অতি সক্রিয়তা কেন ?

রাজ্যের এডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত বলেন , এই বিচার প্রক্রিয়া থামানো যাবে না। কারণ এনারা সবাই গুরুত্ব পূর্ণ দায়িত্বে আছেন।

তুষার মেহেতা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত কলকাতা হাই কোর্টে এই শুনানি বন্ধ রাখার আবেদন , কারণ সিবিআই সুপ্রিম কোর্টে ইতিমধ্যে আবেদন করা হয়েছে। এই ক্ষেত্রে সিবিআইয়ের যুক্তি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এই মামলা শুনবেন , সেখানে কি ভাবে একই মামলা কলকাতা হাই কোর্টে কি ভাবে শুনানি হয়।

বিচারপতি আই পি মুখার্জী বলেন এই শুনানি চললে আপনাদের কি অসুবিধা ?

আদালতকে অভিযুক্তদের আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরা জানালেন, ‘‘নেতা-মন্ত্রীদের যে আইন মোতাবেক গ্রেফতার করা হয়নি, তা তদন্তকারী সংস্থাটি সম্পূর্ণ এড়িয়ে যাচ্ছে।’’ সলিসিটর জেনারেল মেহতা পাল্টা জানতে চাইলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, আমাকে গ্রেফতার করুন এটাও কি আইন অনুযায়ী হয়েছিল? আমার মনে হয় এই সব প্রসঙ্গ তুলে রাস্তাঘাটের ঝগড়ার স্তরে নিজেদের না নামানোই উচিত।’’

কেন সিবিআই অফিসে মুখ্যমন্ত্রী। বিক্ষোভে বাইরে জনতা ইট ছুড়ছেন। এই বিশেষ পরিস্থিতি ভার্চুয়াল মাধ্যমেই শুনানি করতে হয়েছে।’’ আদালতকে ১৭ মে নিজাম প্যালেস চত্বরের ঘটনার বিবরণ দিচ্ছেন মেহতা।

প্রথমের আর্জি কি ছিল? সিবিআইকে প্রশ্ন বেঞ্চের
বিচারপতি সৌমেন সেন জানতে চাইলেন সিবিআইয়ের কাছে , আপনাদের আর্জি কি ছিল? নিন্ম আদালতের শুনানি কি আমরা শুনবো ?

কেন্দ্র সরকারের সলিসিটর জেনেরাল বলেন আপনারা চাইলে হতে পারে জামিনের আবেদনের ক্ষেত্রে।

সিবিআইয়ের আবেদন কলকাতা হাইকোর্টের খারিজ হল।
সিবিআইয়ের আবেদন ছিল কলকাতা হাই কোর্টে মামলার শুনানি মুলতুবি রাখা। সেই আবেদন খারিজ করলো কলকাতা হাইকোর্ট।

অভিযুক্তের পক্ষে জোর সওয়াল কেন অভিযুক্তদের কোন কথা শোনা হল না।

আদালতে অভিযুক্তদের পক্ষে সিঙ্ঘভির প্রস্তাব
বিচার প্রক্রিয়াকে সতর্ক হতে হয় , যখন বিচারের সঙ্গে যখন ব্যক্তিগত স্বাধীনতা জড়িয়ে রয়েছে । আরো বলেন যে ,

যখন ৪০৭ ধারা ব্যবহার করে আগেই জামিন পাওয়া ৪ নেতা-মন্ত্রীর জামিনের নির্দেশে কি স্থগিতাদেশ দিতে পারে ? আর জামিনে স্থগিতাদেশ দেওয়ার আগে অভিযুক্তদের বক্তব্য না শোনাকে কি সুবিচার বলা হবে ?

কেন স্পিকারের অনুমতি না নিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে এই চার অভিযুক্তদের : সিঙ্ঘভি

আইন না মেনে নেতা-মন্ত্রীদের অন্যায় ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। কেন রাজ্যপালের অনুমতি নিয়ে গ্রেফতার করা হল । আইন গত দিক মণ হল না , এখানে স্পিকারের অনুমতি নেওয়া হয়নি। বেঞ্চকে জানালেন সিঙ্ঘভি , ‘‘আমার মতে এটা আসলে গণতন্ত্রের গ্রেফতার। কারণ গণতন্ত্রে অনুমোদিত প্রক্রিয়ায় এই গ্রেফতারি হয়নি।” সিবিআইয়ের পাল্টা তুষার মেহতার প্রশ্ন, ‘‘মূল বিষয় কে এড়িয়ে যাবার দেয়া একটা কৌশল , এই বক্তব্য কি আদৌ মূল ইস্যুর সঙ্গে জড়িত? এই বিচারের মূল বিষয়কে এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করা হচ্ছে , সে দিকে নজর দিন ।’’ জবাবে সিঙ্ঘভি বললেন, ‘‘আমি মূল বিষয়েই রয়েছি।’’

আজ আর নয় , নারদ মামলায় শুনানি সোমবারের মতো শেষ, পরবর্তী শুনানি ফের বুধবার। অপেক্ষা আরো এক সপ্তাহের , কি হবে বেল না জেল?

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: