Life Style

বিজয়ার প্রণাম থেকে শুরু করে দীপাবলি, ভাইফোঁটা, অনলাইন-ই ভরসা

করোনা পরিস্থিতির জেরে আনলকেই স্তব্ধ জীবন, ডিজিটালই মানুষ বাচছে জীবন

চৈতালি বর্মন : এই করোনা পরিস্থিতিতে সমস্ত রকম অনুষ্ঠান ,অনলাইন-ই মানুষের একমাত্র ভরসা। সেইক্ষেত্রে এই বিষয় একজন স্কুল শিক্ষক সৌমেন্দু ভট্টাচার্য্যের মতামত অনুযায়ী তিনি বলেন -”করোনা আবহে কোথাও যাওয়া এখন এক বিশাল সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই মুহূর্তে লোকের বাড়ি যাওয়াটা একটা ভয়ংকর বিপদ। বিজয়ার প্রণামটা সামনা-সামনি করতে ভালো লাগে কিন্তু এখন বড়োদের নমষ্কার ,বা সমবয়সিদের জড়িয়ে ধরে বিজয়ার শুভেচ্ছা কিছুই জানানো সম্ভব নয়। তাই দূরত্ব বজায় রেখে এই বছরটা অনলাইনের(Online) মাধ্যমেই ঠিক আছে।

পেশায় কলেজ শিক্ষিকা দীপাঞ্জনা বসু(Dipanjana basu) তার বক্তব্য অনুযায়ী -”তিনি বিজয়ার কথা বলতে গিয়ে বলেন,বিজয়াটা সামনে থেকে বোড়োদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে শুভেছা জানানোর মধ্যে একটা আলাদা আনন্দ লুকিয়ে থাকে।কিন্তু সেটা এই বছর সম্ভবপর হচ্ছেনা। সেক্ষেত্রে একটা আক্ষেপ তো থেকেই যাচ্ছে তাছাড়া এই অনলাইন মাধ্যমে অনুষ্ঠান উপভোগ করাটা আজ থেকে নয় অনেকদিন আগে থেকেই। এখন অনলাইনের মাধ্যমে পুজোর আচার -অনুষ্ঠান পালন করা ও সম্ভব হয়েগেছে, বিদেশে পুরোহিত না পৌঁছাতে পারায় সেখানে কিন্তু পুজো থেমে থাকেনি অনলাইনের মাধমে সমস্ত রকম নিয়ম -বিধি ,আচার -আচরণ -অনুঠান মেনে সবাই যাতে মায়ের পুজোর অঞ্জলি দিতে পারে সেই সমস্ত রকম ব্যবস্থা সম্পূর্ণ করে। পুরোহিত মশাই অনলাইনের মাধ্যমে পুজো সম্পূর্ণ করেন। আর রইলো বিজয়ার কথা বিজয়াটা বড়োদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করে বিজয়া করতেই ভালো লাগে কিন্তু এই বছর এমন বিপদ জনক সময় দূরত্ব বজায় রেখে ,নিজে সুস্থ থেকে অন্যদের সুস্থ থাকার কথা মাথায় রেখে এই বছর অনলাইনের মাধ্যমে বা ফোনে বিজয়া শুভেচ্ছা জানানোই ভালো। দীপাবলির এখন প্রায় সবাই অনলাইন এর মাধ্যমেই আপডেট দিয়ে থাকেন। মানুষের ব্যাস্ততার মাঝে অনলাইন এখন মানুষের ভরসা। এই সময় আমাদের সকলের সুস্থ থাকার কথা মাথায় রেখে সমস্ত নিষেধাজ্ঞা মেনে দূরত্ব বজায় রেখে সমস্ত কিছু পালন করা উচিত।

পেশায় কলেজ ছাত্রী তৃষিতা গুপ্ত তার মতামত অনুযায়ী -”এই বছর সমস্যা অনেক সেই ভাবে পুজোতে ঠাকুর দেখা যায়নি কারণ সমস্ত মণ্ডপে প্রবেশ নিষেধ ছিলো ,যাইহোক না কেন সবসময় সবকিছু করতে হবে দূরত্ব বজায় রেখে। বিজয়ার ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা একই বড়োদের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করা যাবে না ছোটোদের ও কোলাকুলি করা যাবে না। সমস্ত টাই এখন অনলাইনের মাধ্যমে করতে হবে এর মাধ্যমে করতে হবে এর মধ্যে দিয়েই আনন্দ উপভোগ করতে হবে। সবার সুস্থ থাকার কথা মাথায় রেখে ,দীপাবলিতেও নাকি শোনা যাচ্ছে এই বছর বারোয়ারি পুজো গুলো বন্ধ সেগুলো হবে না শুধুমাত্র বাড়ির পুজো আর মন্দিরের পুজোগুলো হবে সেক্ষেত্রে বলতে গেলে কালীপুজোতে যে বাজিফাটানো আনন্দ সেটা এই বছর উপভোগ করা হবে না সেক্ষেত্রে একটা মন খারাপতো থেকেই যায়। ভাইফোঁটা ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার এই দিনটাতে সব ভাই বোনরা এক জায়গায় হয়ে যেরকম ভাবে আনন্দের সঙ্গে কাটাই দিনটাই দিনটা ,সেইটা এই বছর সম্ভব নয়। তাই যতটা সেফটি কথা মাথায় রেখে করা সম্ভব সেই ভাবেই এই বছর সমস্ত কিছু পালন করতে হবে। অনলাইনের মাধ্যমেই যতটা সম্ভব আত্মীয়,বন্ধু ,সবার সাথে যোগাযোগ রেখে এই দিনগুলো ভালোভাবে কাটানো যায় সেটাই ভাবতে হবে।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: