West Bengal

বিশ্বভারতী কাণ্ডে এবার ক্ষমা চাইলেন উপাচার্য

রবীন্দ্রনাথকে বহিরাগত বলতে বিতর্ক বেঁধেছিল তুঙ্গে, তবে সেই অর্থে নাকি বলতে চাননি বিদ্যুৎ বাবু

দেবশ্রী কয়াল : গত মাসেই রবীন্দ্রনাথ কে বহিরাগতের আখ্যা দিয়েছিলেন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুত্‍ চক্রবর্তী। আর তারপরেই সেখানে দেখা দেয় তোলপাড় কান্ড, হয় বহু সমালোচনা। এবারে সেই কারণেই গতকাল ক্ষমা চেয়েছেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এর আগেও তাঁর বহু মন্তব্য নিয়ে সমালোচনা হয়েছে, তবে এই ক্ষেত্রে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি বলেছেন, তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘আমি যে কথা বলতে চেয়েছিলাম তার অন্য মানে বার করা হয়েছে। তবু আমার বক্তব্য যদি কাউকে আঘাত করে থাকে তাহলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।”

শান্তিনিকেতনে পৌষ মেলার মাঠে পাঁচিল তোলা এবং তা ভেঙে ফেলার ঘটনা নিয়ে গত মাসে তোলপাড় কাণ্ড বেঁধে গিয়েছিল বিশ্বভারতীতে। আবাসিক, ছাত্রছাত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, তৃণমূল, বিজেপি সবাই কার্যত ময়দানে নেমে পড়েন। ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পাঁচিল তোলার তীব্র বিরোধিতা করে বলেন, ‘ওখানে বহিরাগতদের জড়ো করে পাঁচিল তোলা হচ্ছে। এই পাঁচিল দিয়ে ঘিরে দেওয়ার মধ্যে দিয়ে রবীন্দ্রনাথের মুক্ত শিক্ষার ভাবনা আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছে।’ এর উত্তরে পাল্টা উপাচার্য বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথও তো শান্তিনিকেতনে বহিরাগতই ছিলেন!’ এর পরেই বিতর্কের সীমা আরও বেড়ে যায়।

এরপরেই ক্ষমা চেয়ে বিদ্যুত্‍ চক্রবর্তী একটি টিভি চ্যানেলকে সাক্ষাত্‍কার দিতে গিয়ে বলেন, ‘আপনারা যদি আমার কথা ভাল করে.বোঝার চেষ্টা করেন তাহলে আশা করি বুঝবেন আমি কী বলতে চেয়েছি।’ তিনি বলেন, ‘বহু বছর আগে রবীন্দ্রনাথ এই অঞ্চল দিয়ে যাচ্ছিলেন দ্বারকানাথ ঠাকুরের সঙ্গে। তারপর এখানে বিশ্রামের জন্য দাঁড়ান এবং নাম দেন শান্তিনিকেতন। পরে তিনি এখানে আসেন।’

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: