West Bengal

এবার শোভাবাজার রাজবাড়িতেও দর্শনার্থীদের প্রবেশে জারি নিষেধাজ্ঞা

করোনাতে আগে সুস্থ থাকতে হবে, পরের বছর করতে হবে আনন্দ

দেবশ্রী কয়াল : শোভাবাজার রাজবাড়ীর(Shovabazar Rajbari) দুর্গাপূজা মানেই এক ঐতিহ্যে ভরা। পূজার কটা দিনে, হাজার হাজার দর্শনার্থী ভিড় করে মা’কে দেখতে যান রাজা নবকৃষ্ণ দেবের পুজোয়। কিন্তু এবারে করোনার প্রকোপে তাতে পড়েছে বাঁধা। বর্তমান পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে, সংক্রমণ রুখে এই বৎসর দর্শনার্থীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না, শোভাবাজার রাজবাড়িতে। এই বৎসর পূজাতে কেবল মাত্র উপস্থিত থাকবেন পরিবারের সদস্যরাই।

১৭৫৭ সালে শুরু হয়েছিল এই পুজো। সে বছরই ইংরেজদের কাছে যুদ্ধে পরাজিত হয়েছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌল্লা। সেই বছরই কলকাতায় প্রথম পারিবারিক দুর্গাপুজো শুরু করেন রাজা নবকৃষ্ণ দেব। এই পরিবারে দুর্গা বৈষ্ণবী মা। তাই তাঁকে নিরামিষ ভোগ দেওয়া হয়। তবে এই পরিবারে খিচুড়ি, পোলাও ভোগ দেওয়ার রীতি নেই। পরিবর্তে মিষ্টি, ডালভরা সিঙারা ইত্যাদির ৫৭ ভোগ দেওয়া হয়। শোভাবাজার রাজবাড়িতে আজও প্রতিমা একচালার। প্রথম দিনের মতোই তালপাতায় লেখা পুঁথি পড়ে পুজো করা হয়। রীতি-নীতি আজও অপরিবর্তিত।

এই বছরেও সকল নিয়ম কানুন মেনেই পূজা করা হবে। কিন্তু অনুমতি নেই বাইরের দর্শনার্থীদের। বারবার বলা হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব বিধির নিয়ম বজায় রাখতে। আর সেই কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিল শোভাবাজার রাজবাড়ী। এমন দর্শকশূন্য পূজার সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার(Santosh Mitra Square) ও বেহালা দেবদারু ফটক(Debdaru Fatak)। এবার ডিজিটালি তাঁরা মানুষকে ঠাকুর দেখার কথা বলেছে। মানুষকে বলা হচ্ছে এই বছরটি বাড়িতে থেকেই ঠাকুর দেখুন, সাথে থাকুন। তাহলেই পরের বছর মজা করতে পারবেন। কারন এই মুহূর্তে সুস্থ থাকাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

Tags
Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close
Close
%d bloggers like this: