mamata banerjeeNation

সিঙ্গুর আন্দোলনের দিনেই আন্দোলনকারী কৃষকদের সঙ্গে কথা, মোদীর সমালোচনায় সরব মমতা

আন্দোলন ন্যায়সঙ্গত, ফোন করে আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে থাকার

চৈতালি বর্মন : দিল্লির কৃষক আন্দোলনের নেতা পরমজিত সিংয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়(Mamata Banerjee)। ফোনে তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন তিনি। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দিল্লি হরিয়ানার-সিঙ্ঘু সীমানায় পৌঁছেছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন(Derek O’Brien)। আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে ডেরেকের মাধ্যমে ফোনে সরাসরি কথাও বলেছেন মমতা ব্যানার্জী । তিনি মোবাইল ফোনের মাধ্যমেই এক কৃষক নেতার সঙ্গে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী(Narendra Modi)র তীব্র সমালোচনা করেন। একই সঙ্গে আন্দোলনে কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দেন। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরক ওব্রায়েনর মোবাইল ফোনেই তিনি পঞ্জাবের এক কৃষক নেতার সঙ্গে কথা বলেন। পরবর্তী সময় তিনি কৃষক আন্দোলনের খোঁজ খবর নেন রাজনীতিবিদ যোগেন্দ্র যাদবের কাছ থেকে।

এবং এদিন তৃণমূল নেত্রী বলেন, তিনি ও বাংলার মানুষ আন্দোলনরত কৃষকদের পাশে রয়েছেন। বাংলা থেকে যদি কোনও সাহায্যের প্রযোজন হয় তাহলে সবার আগে তিনি এগিয়ে আসবেন। তিনি আরও বলেন তাঁদের আন্দোলনের প্রতি তাঁর পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। আর এই আন্দোলন শুধুমাত্র তাঁদের নয়। এই আন্দোলন গোটা দেশের বলেও জানিয়েছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষি বিল প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন । কৃষক নেতাদের পক্ষ থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বাগত জানান হয়েছে।এই প্রেক্ষাপটে মোদী সরকারের নয়া কৃষি আইনের বিরুদ্ধে সরব কৃষকদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফোনে কথা, বারংবার তাঁদের সমর্থনের আশ্বাস বিশেষ তাত্‍পর্যপূর্ণ।

এদিন সকালে টুইটবার্তায় মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ”কৃষি জমি জোর করে নেওয়া যাবে না এই দাবিতে ১৪ বছর আগে ২০০৬ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর, কলকাতায় আমি ২৬ দিনের অনশন কর্মসূচি শুরু করি। আমি শ্রদ্ধা জানাই সেই সমস্ত কৃষকদের যাঁরা কেন্দ্রের আনা কৃষি আইনের বিরোধিতা করছেন।’ মোদী সরকার কাউকে কিছু না জানিয়েই নয়া কৃষি আইন পাস করেছে।

নয়া তিন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই সরব তৃণমূল। পুজোর আগে রাজ্যব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে জোড়া-ফুল শিবির। গত কয়েক দিনে দেশজুডে় কৃষকদের বিদ্রোহ বড় আকার নিতে শুরু করেছে। এই প্রক্ষাপটেই বৃহস্পতিবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী টুইটে জানিয়েছিলেন, ‘কৃষকদের নিয়ে আমি খুবই উদ্বিগ্ন। কৃষক বিরোধী বিলগুলো প্রত্য়াহার করুক কেন্দ্র সরকার। যদি তারা তা না করে, তাহলে আমরা রাজ্য় ও দেশজুড়ে অবিলম্বে আন্দোলনে নামব। প্রথম থেকেই আমরা এই কৃষক বিরোধী বিলগুলির বিরোধিতা করে আসছি।’

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: