Big Story

ওপার বাংলার সংঘর্ষে এখনও অধরা দুষ্কৃতীর দল, সংঘর্ষ এড়াতে করা পদক্ষেপ এপার বাংলাতেও

পুজোর সময় এমন অপ্রীতিকর হামলাকে পরিকল্পিত বলেই বর্ণনা বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

শর্মিষ্ঠা বিশ্বাস: দুর্গাপুজো শেষ হওয়ার আগেই দশমীর দিন শুক্রবারই হয় ঝামেলার সূত্রপাত। শুক্র ও শনিবার পর পরই বেশ কিছু হিন্দু আশ্রম ও দুর্গামন্দির এবং হিন্দু দোকানপাটে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে কিছু দুষ্কৃতীর দল। এরপর আবার রবিবার রাত দশটা নাগাদ আচমকাই কুমিল্লার পীরগঞ্জের প্রায় ২০টিরও বেশি বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় এক দুষ্কৃতীর দল। ঝামেলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশবাহিনী। ঘটনায় প্রাণ হারায় ২ হিন্দু বাসিন্দা।

রংপুর জেলার সহকারী পুলিশ সুপার মহম্মদ কামরুজ্জামান জানান, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি ফেসবুকে ধর্ম কেন্দ্রীক আপত্তিকর কিছু মন্তব্য করেন যা নিয়ে বিতর্কের ঝড় ওঠে ফেসবুকে। ফেসবুকে এই পোস্ট ভাইরাল হতেই উত্তপ্ত হয় এলাকা। শনিবার ফেনী শহরে হওয়া ঝামেলার পর ফেনীর পুলিশ সুপার খন্দকার নুরুনবী জানান দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে পুলিশ সহ প্রায় ৩০ জনের বেশি আহত হয়েছেন, যে সংখ্যা আরও বাড়তে পারে আশঙ্কা। রবিবার ঝামেলা চরমে ওঠার পর ১২ ঘন্টা অতিক্রম করে গেলো ঘটনার সাথে জড়িতদের এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি বাংলাদেশ পুলিশ।

পুজোর সময় এই অপ্রীতিকর হামলাকে পরিকল্পিত বলেই বর্ণনা করেছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বেশ কয়েকদিনের ধর্মভিত্তিক সংঘর্ষের জেরে দেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সংবিধানে ফিরে যাওয়ার কথা বলেছেন বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী। ওপর বাংলার সংঘর্ষের রেশ এপার বাংলায় যাতে না পরে তা নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক রাজ্যের প্রশাসন।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: