Big Story

আলো-আধারিতে কন্যা দিবস; ওঠা পড়ার সাতকাহন

দলিলে দাবি পূরণ, অধিকার অধরা!

সুচিস্মিতা ঘোষ : মেয়ে সন্তান বাবার খুবই কাছের হয়। এক পা, দুপা করে জীবন চলতে থাকে জলের স্রোতে, তার সঙ্গে চলে বেড়ে ওঠা। মায়ের স্নেহে বাবার বকুনিতে ছোট্টো মেয়েটি শেখে জীবনের নিয়ম। যত বয়স বাড়তে থাকে কৈশোরে দেয় পা, শুরু হয়ে যায় সেই মেয়েটির অন্য পথ চলা।

বড়ো হওয়ার সাথে সাথে “না” শব্দটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অতপ্রোতভাবে জড়িয়ে যায় জীবনের সাথে। বদলাতে হয় বসার ধরণ, বদলায় কথা বলার ধরণও। আস্তে কথা বলো লোকে কি বলবে? এসবের মধ্যে দিয়েই মেয়েটি প্রবেশ করে তার যৌবনে। বাড়ির শাসন যায় তখন পাল্টে, সেই আদরমাখা বাবার ডাকটাও কোথাও পরিবর্তন হয়ে যায়। হওয়াটাই স্বাভাবিক হয়তো, বাবার মনের চিন্তায় গাম্ভীর্যে প্রকাশ পায়না সেই আদরের ডাক। জীবন চলতে থাকে তার ছন্দে। গ্র্যাজুয়েশনের গন্ডি পেরিয়ে মা-বাবার আদরের কন্যা যখন পৌঁছায় পরিণত বয়সে ,পরিবারে ধুম পরে যায় তার বিয়ে নিয়ে। এর সাথেই মেয়েটির জীবনে শুরু হয় নতুন অধ্যায়। ঘর গোছানো থেকে রাতে খাবার বানানো পর্যন্ত চলে অক্লান্ত পরিশ্রম। কিন্তু দিনের শেষে ঠোঁটের কোণে ম্লান হাসিটা থেকেই যায়। মেয়ে থেকে মা হওয়ার পথটা খুব একটা সহজ নয় ,আত্মত্যাগ তার মধ্যে একটি কঠিন পর্যায়।

এখন দিন কিছুটা বদলেছে। “যে রাধে, সে চুলও বাঁধে”, ঘর সামলানোর পাশাপাশি নারীরা ছুটে চলেছে স্বনির্ভরতার পথে, সেখানেও পটু হাতে সামাল দিচ্ছে সব কাজ। পিছিয়ে নেই অজকের রমণীরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এগিয়ে চলেছে জীবন যুদ্ধে। অবশেষে একটাই কথা বলা যায় হয়তো নারী না থাকলে একটি বাড়ি “ঘর” হতো না, তেমনি একটি ঘর “সংসার” হতো না।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: